রবিউল হাসান রাজিবঃ মহাসড়কের পাশে বিভিন্ন করাত কল গাছেরগুড়ি বিক্ষিপ্ত ভাবে ফেলে রাখায় প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। এছাড়াও এসব গাছেরগুড়ি ব্যবহার করে বাস, ট্রাকে চলে ডাকাতির মত মারাত্বক অপরাধ। এতে জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এ জাতীয় অপরাধ যেন না ঘটে এবং মহাসড়কে জনগণ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সে লক্ষে ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রশাসন এ জাতীয় করাত কলে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে।

মহাসড়কে নির্বিঘ্নে যানচলাচল নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
১১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজার নেতৃত্বে ফরিদপুর – সালথা সড়কের সমসপুর ও তাম্বুলখানা এলাকায় করাত কলসমূহে উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পূর্বগঙ্গাবদী এসএফএসটিসি কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে লাইসেন্স ব্যতীত করাত কল পরিচালনা এবং মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে গাছের গুড়ি রাখার অপরাধে করাত কল (লাইসেন্স) বিধিমালা, ২০১২ মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুম রেজা কর্তৃক ৪টি করাত কল মালিককে ২৬,০০০/- (ছাব্বিশ হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এছাড়াও ৪টি করাতকল থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পূর্ব গঙ্গাবর্দী এসএফএসটিসি কর্তৃক ৪টি গাছের গুড়ি (৫২.২ ঘনফুট) জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৯,৪২০/- (ঊনচল্লিশ হাজার চারশত বিশ) টাকা।
এসময় আগামী সাত দিনের মধ্যে লাইসেন্সবিহীন করাতকলসমূকে দ্রুত লাইসেন্স এর আবেদন করার জন্য এবং সড়কের পাশ থেকে গাছের গুড়ি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ বিষয়ে মাসুম রেজা বলেন, মহাসড়কে সাধারণ জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এ অভিযান। মান্যবর জেলা প্রশাসক অতুল সরকার স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মহাসড়কে গাছেরগুড়ি ফেলে রাস্তা আটকিয়ে বাস, ট্রাকে ডাকাতির মত জঘন্যতম অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে। এসকল অপরাধ যেন না হতে পারে সে লক্ষেই আমাদের এ অভিযান।
তাছাড়া অনুমোদনহীন যে সকল করাত কল রয়েছে সেগুলো লাইসেন্স করে চালাতে হবে অন্যথায় বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা সময় দিচ্ছি, এ সময়ের মধ্যেই লাইসেন্স সম্পন্ন করতে হবে। আমার এরিয়ার মধ্যে যেন এ ধরনের অপরাধ না হয় সেজন্য আমি সর্বদা সচেষ্ট আছি এবং আমার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply