ফরিদপুর সমাচার : ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুম রেজা গভীর রাতে শীত বস্ত্র নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে ছিন্নমূল ভাসমান অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে বিভিন্ন এলাকায় অর্ধ শতাধিক রাস্তার ধারে আশ্রিত এ সকল লোকদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন তিনি। এদের বেশির ভাগ লোক মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ও অসহায়।
পরে তিনি ইতোমধ্যে মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর বুঝে পেয়েছেন সেই বয়স্ক, অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীত নিবারণের জন্য শীতবস্ত্র কম্বল তুলে দেন। ইউএনও মাসুম রেজা বলেন, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দুস্থ ছিন্নমূল মানুষরা কষ্ট পাচ্ছে। তাই দিনের বেলা দাপ্তরিক কার্য শেষে রাতের বেলা প্রধানমন্ত্রীর ত্রান থেকে আসা কম্বল নিয়ে অসহায় দুস্থদের কাছে ছুটে যাই ও তাদের মধ্যে কম্বল বিতরন করি এবং সল্প সময়ের মধ্যে উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নে কম্বল বিতরন করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
তিনি আরো জানান, এই শীতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকে ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র মানুষগুলো। এ শ্রেণীর মানুষগুলো এমনিতেই অসহায়ভাবে জীবন-যাপন করে থাকে। তাই প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উপহার শীতার্তদের জন্য কম্বল সবার আগে এদের মাঝে বিতরণ করেছি। দিনের বেলায় এ সকল লোকজন বিভিন্ন জায়গায় পেটের দায়ে থাকে বলে রাতের বেলায় খুঁজে খুঁজে তাদের হাতে কম্বল দিচ্ছি। এ কম্বল বিতরণ চলমান থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ্য করে সমাজের বৃত্তবানদেরকে এসকল অসহায় শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিভন্ন পত্রিকায় “ফরিদপুরে সদর ইউএনও’র প্রচেষ্টায় বীরাঙ্গনা স্বীকৃতি পেল মায়া রানী সাহা”, শিরোনামে একটি নিউজ ছাপা হয়। এক সপ্তাহের ভেতরে বীরাঙ্গনা মায়া রানী সাহার পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ প্রকল্পের দুর্যোগসহনীয় ঘর তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন ইউএনও। পরে ওই অসহায় পরিবারের মাঝে তিনি শীতবস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কম্বল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম পিআইও সদর এবং মোঃ কামাল হোসেন সিএ ফরিদপুর সদর, উপ-সহকারী প্রকৌশলী-পিআইও অফিস, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply