ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ গ্ৰামবাসির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ভাঙচুর, লুটপাট : আহত-৩০
নিজস্ব প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টানা আড়াই ঘন্টাব্যাপী টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ গ্ৰামবাসি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন গ্ৰামবাসি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহতদের মধ্যে মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়ার অবস্থা গুরুতর। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। আড়াই ঘন্টাব্যাপী ব্যাপি চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের সহায়তায় রাতের কারণে গ্ৰামবাসি স্বস্ব গ্ৰামে ফিরে যায়। তবে সমগ্র এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৭ টা পর্যন্তফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং প্রচার করার সময় প্বার্শবর্তী গ্রাম খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের কয়েকজন তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার সুত্র ধরে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে এলোপাথাড়ি মেরে আহত করে তাদের প্রতিপক্ষ।
এর জের ধরে মুনসুরাবাদ গ্ৰামবাসির সঙ্গে প্বার্শ গ্রামের ৩ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সরকি নিয়ে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। বিপরীত দিক খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেয়। এসময় প্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চালায়। এসময় সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে রাত হয়ে যাওয়ায় গ্ৰামবাসিরা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। রাত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে নিয়ে উভয় পক্ষকেই পিছু হটাতে সক্ষম হয়েছি। পরবর্তীতে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সড়কের দুই পাশে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply