মো. বাকী বিল্লাহ খান পলাশ : ব্যক্তিগত আকীদা ও আমলকে শিরক্ ও বিদাতমুক্ত করণ, রাসূল (ছা.) এর দ্বীনকে চর্চ্চা ও প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে একটি শিরক্ ও বিদাতমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে ফরিদপুর সত্যের অন্বেষণে আজ অনুষ্ঠিত হয় আহলুল হাদীস অনুসারীদের সাপ্তাহিক তালিমী বৈঠক। হাফেজ আব্দুল্লাহ মাসুমের পরিচালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা। হাফেজ আব্দুল্লাহ মাসুম বলেন, সমগ্র মুসলিম জাতির উপর কর্তব্য হলো, আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াত দেওয়া।
অমুসলিমদেরকে আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াত দেওয়া সমস্ত মুসলিমের উপর ওয়াজিব। কেননা, আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াতের মাধ্যমে সবচেয়ে বড় গিরা খুলে যায়। আর মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় গিরা হচ্ছে কুফর এবং শিরকের গিরা। আর যখনই এ গিরাটি খুলে যায়, তখনই অন্যান্য সব গিরা খুলে যায়। তবে দা‘ওয়াতী ক্ষেত্রে প্রত্যেকেই তার জ্ঞান অনুযায়ী এবং কুরআন জানা অনুপাতে দা‘ওয়াত দিবে। আর কুরআন জানার সর্বনিম্ন পরিমাণ হচ্ছে, এক আয়াত।
অতএব, এউম্মতের প্রত্যেকের উপর দা‘ওয়াতী কাজ, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে নিষেধ করা ওয়াজিব। ছালাত, যাকাত ইত্যাদির বিধি-বিধান নাযিল হওয়ার পূর্ব থেকেই ছাহাবীগণ আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াতী কাজ করতেন। মহান আল্লাহ এ মুসলিম জাতিকে দা‘ওয়াতের জন্য বাছাই করেছেন, যেমনভাবে তিনি তার দিকে আহবানকারী হিসাবে নবীগণকে মনোনীত করেছিলেন। তিনি তাদেরকে মর্যাদা দিয়েছেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর দিকে দা‘ওয়াত দানের দায়িত্ব দিয়েছেন।
মহান আল্লাহ তা‘আলা আরও ‘আর মুমিন পুরুষ এবং মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু, তারা ভাল কাজের আদেশ দেয় আর অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে, আর তারা ছালাত ক্বায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। এদেরকে আল্লাহ শীঘ্রই দয়া করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়’ (সূরা আত-তাওবা: ৭১)।
সভা শেষে মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা বলেন, সহীহ দ্বীনকে সকল মানুষের দ্বারে নিয়ে যেতে আমাদের সকল সীমাবদ্ধতা ও গন্ডীকে উপড়ে ফেলে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। যে শিক্ষা আামাদের প্রিয় রাসূল (ছা.) আমাদের দিয়ে গেছেন।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply