1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 
শিরোনাম :
উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো এফডিএফ জাতীয় বিতর্ক উৎসব, কাল সমাপনী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন সালথার ইউসুফদিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান গত ১৭ বছর বেশি দুর্নীতি হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে: শামা ওবায়েদ সালথায় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ইউসুফদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পাট বীজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতার লক্ষ্য সরকারের: ফরিদপুরে কৃষিমন্ত্রী ফরিদপুরে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কমিটি পরিচিতি অনুষ্ঠিত বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না: শামা ওবায়েদ

পদ্মা সেতু এড়াতে ফেরির বিকল্প রুট হতে পারে মৈনট-গোপালপুর

  • বর্তমান সময়: রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে
পদ্মা সেতু এড়াতে ফেরির বিকল্প রুট হতে পারে মৈনট-গোপালপুর
পদ্মা সেতু এড়াতে ফেরির বিকল্প রুট হতে পারে মৈনট-গোপালপুর

পদ্মা সেতু এড়াতে ফেরির বিকল্প রুট হতে পারে মৈনট-গোপালপুর

সাজ্জাদ হোসেন সাজু (চরভদ্রাসন প্রতিনিধি) : স্বপ্নের পদ্মা সেতুর পিলারে বারবার ফেরির ধাক্কা উদ্বেগে ফেলেছে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে। এসব ধাক্কা কেবলই দুর্ঘটনা, নাকি ইচ্ছেকৃত, তা নিয়েও চলছে বিতর্ক। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ধাক্কা এড়াতে ফেরি চলাচলে রুট স্থানান্তরের কথা ভাবছে সরকার। এক্ষেত্রে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের গোপালপুর ও ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাটকে ফেরি চলাচলের বিকল্প রুট হিসেবে বিবেচনা করার দাবি তুলেছে এলাকাবাসী। বিগত সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে রুট পরিদর্শনের কথাও বলছেন তারা।

এলাকাবাসী বলছেন, গোপালপুর-মৈনটঘাট এলাকা পরিদর্শনের পর কার্যক্রম থমকে গেছে। এখন যেহেতু পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কায় ফেরির রুট স্থানান্তরের আলোচনা সামনে এসেছে, সেক্ষেত্রে গোপালপুর-মৈনটকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের গোপালপুর থেকে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট রুটে বর্তমানে ফেরি ছাড়া লঞ্চ, ট্রলার, স্পিডবোটসহ অনেক নৌযান চলাচল করে। ফরিদপুরের নগরকান্দা, সদরপুর ও ভাঙ্গা উপজেলাসহ আশপাশের এলাকার হাজারো যাত্রী প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গোপালপুর-মৈনট নৌরুট দিয়েই যাতায়াত করেন। এ নৌপথ দিয়ে যাত্রীরা স্পিডবোটে মাত্র ২০ মিনিটে পদ্মা নদী পার হতে পারেন। মৈনটে উঠেই যাত্রীরা ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ঢাকা পৌঁছাতে পারেন।( বিস্তারিত ভিডিও দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন)

এ অঞ্চলের ঢাকাগামী যাত্রীদের বেশিরভাগই গোপালপুর-মৈনটঘাট দিয়ে পদ্মা নদী পার হন। এলাকাবাসী বলছেন, এ রুটে ফেরি চলাচল শুরু হলে ফরিদপুর ও ঢাকার পাশাপাশি সুফল ভোগ করবে গোপালগঞ্জ, নড়াইল, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলার কোটি মানুষ। বিশেষ করে এই রুট দক্ষিণ পশ্চিমের অনেক জেলার সঙ্গে ঢাকার দূরত্ব কমিয়ে দেবে। এলাকাবাসী মনে করেন, এ রুট চালুর জন্য শুধু প্রয়োজন পদ্মা নদীতে ড্রেজিং, সংযোগ সড়ক চওড়া এবং ঘাট নির্মাণ করা।

গোপালপুর-মৈনট ফেরি চালুতে হয়েছিল এলাকা পরিদর্শন এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গোপালপুর-মৈনট রুটে ফেরি চলাচলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গত বছরের ৩১ জানুয়ারি এলাকা পরিদর্শন করেন তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব পংকজ কুমার। সেদিন তিনি জানান, এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হলে ঢাকার দোহার ও ফরিদপুরের যাতায়াত ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে। এছাড়া পদ্মা সেতু চালু হলে কোন রুটে ফেরি চলাচল সহজ হবে এ বিষয়েও আলোচনা করেন পংকজ কুমার। পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি গোপালপুর-মৈনট এলাকা ঘুরে দেখে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একটি প্রতিনিধি দল। তাদের সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী)।

পরে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় জরিপ করে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এই রুটে ফেরি চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সময় নিক্সন চৌধুরী বলেন, ফেরি ঘাটটি চালুকরণের বিষয়টি আমার নির্বাচনী ওয়াদা। পুরো প্রক্রিয়া শেষের পথে। আগামী মাস (মার্চ) থেকে সি-ট্রাক ও ৪-৫ মাসের মধ্যে ফেরি চালু হবে। এতদিন এই অঞ্চলের মানুষের যে ভোগান্তি হতো তা লাঘব হবে। তবে সেই পরিদর্শন কার্যক্রমের পর করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপ দেখা দেয় দেশে। তারপর থমকে যায় এই রুটে ফেরি চলাচলের আলোচনাও।

উপকৃত হবে ৮-১০ জেলার মানুষ, সহজ হবে পণ্য পরিবহন এই রুটে ফেরি চলাচল চালুর ব্যাপারে চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. ফয়সাল হাসান শাওন বলেন, এ পাড় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন-গোপালপুর, অপর পাড় ঢাকার দোহার-কার্তিকপুর এলাকা। এ পাড়ের যাত্রীরা নদী পার হয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা পৌঁছাতে পারেন। সেজন্য এই অঞ্চলের ঢাকাগামী বেশিরভাগ যাত্রী গোপালপুর-মৈনট ঘাট দিয়ে পদ্মা নদী পার হন।

ফয়সাল হাসান শাওন বলেন, এ রুটে ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করলে প্রথমে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। অন্যদিকে দুই পাড়ের মানুষেরও সময়-অর্থ সাশ্রয় হবে। উপকৃত হবে দুই পাশের ৮-১০ জেলার মানুষ। এমনকি গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, নড়াইলসহ বেশ কয়েকটি জেলা থেকে রাজধানীসহ পূর্বাঞ্চলের বাজারে পণ্য পাঠানোও সহজ হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page