1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 
শিরোনাম :
সালথায় জিপিএ-৫ ও পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুর রহমানের ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ফরিদপুর দেবীনগরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা সালথায় পৃথক স্থানে সাপের কামড়ে গৃহবধূ ও শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন সালথায় নবজাতক পরিবারের মাঝে সুজনের গাছের চারা বিতরণ সোনালি আঁশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরে বিএডিসির পাট ফসলের মাঠ দিবস ও বীজ ডিলার কর্মশালা নারী ও কিশোরীদের জন্য সেবা সহজলভ্য করতে সমন্বয় ও রেফারেল ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে একই কাব্য সংকলনে ফরিদপুরের কবি আব্দুল আলিম মৃধা আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি রেবিস ভ্যাকসিন হস্তান্তর

সালথায় জিপিএ-৫ ও পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

  • বর্তমান সময়: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে
সালথায় জিপিএ-৫ ও পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা
সালথায় জিপিএ-৫ ও পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

সালথায় জিপিএ-৫ ও পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

মো.আরিফুল ইসলাম, সালথা (ফরিদপুর) ফরিদপুরের সালথায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। শুধু পাসের হারেই নয়, জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েদের আধিপত্য দেখা গেছে। উপজেলায় মোট ২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও তাদের মধ্যে ছেলে মাত্র তিনজন। শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি, অনলাইন জুয়া, মাদক ও কিশোর গ্যাংসহ নানা কারণে ছেলেরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জান্নাতুল মাওয়া জিপিএ-৫ পেয়েছে। সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হুমাইরা ইসলাম ও লামিয়া আক্তার, বিভাগদী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জাকিয়া বিনতে জাহিদ এবং জয়ঝাপ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সারা মিলা ও ফারিহা তাবাচ্ছুম জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এ ছাড়া কাগদি মুরুটিয়া বিদ্যালয় থেকে মৌ রায় শশী এবং বড়খারদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বাধিক পাঁচজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা হলেন-সৈয়দা সামিয়া ইসলাম, মোসা. সাদিয়া খানম, সৈয়দা মেজবা ও সামিয়া খানম।
সমমান পরীক্ষায় ভাবুকদিয়া ঠেনঠেনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে তাহমিদা সুলতানা ও হাবিবা এবং সালথা দাখিল মাদ্রাসা থেকে আমিরুল ইসলাম জিপিএ-৫ পেয়েছে।

সালথা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ থেকেও পাঁচজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা হলেন-মারিয়া মোহনা, শ্রাবণী বিশ্বাস, লামিয়া ইসলাম, মোসা. ছাবিনা ও ইদ্রজিত শীল।

এবার উপজেলায় মোট পাসের হার ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ। পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার পশ্চিম বিভাগদী আব্বাসিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

ফলাফলে মেয়েদের এগিয়ে থাকার বিষয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বেশির ভাগ বাবা-মা সন্তানের পড়াশোনার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নন। বিশেষ করে ছেলেদের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার চেয়ে প্রবাসে যাওয়ার প্রবণতাকে বেশি গুরুত্ব দেন অনেক অভিভাবক।

এ ছাড়া অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি, মাদক ও অনলাইন জুয়ার মতো বিষয়ও ছেলেদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে পড়াশোনা কিংবা ভালো ফল করার প্রতিযোগিতাও তেমন দেখা যাচ্ছে না। অভিভাবকদের সচেতনতার পাশাপাশি ছেলেদেরও পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিনয় কুমার চাকী বলেন, বর্তমানে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি ভক্তি বেশি। পাশাপাশি অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কম থাকায় ছেলেরা পিছিয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ছেলেরা পারিবারিক কাজকর্মে বেশি সময় দিচ্ছে। পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে ভালো চাকরি করবে-এমন প্রবণতাও তাদের মধ্যে কম দেখা যাচ্ছে। অভিভাবকেরা সন্তানের প্রতি সচেতন হলে এবং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হলে সবার ফলাফল আরও ভালো হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page