1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 
শিরোনাম :
ফরিদপুরে বিএনপি নেতা পরিচয়ে ব্যবসায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, গণপিটুনির ঘটনায় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মামলা ফরিদপুরে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার ফরিদপুরে শর্ট সার্কিটের আগুনে কিশোরের মৃত্যু ফরিদপুরে তেল মজুদ না করার আহ্বান প্রফেসর আবদুত তাওয়াবের ফরদপুরে ১১ বছরের নাবালক নিবিড় মন্ডলের রহস্যজনক মৃত্যু সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ইব্রাহিম মাস্টারের বাড়িতে খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব সালথায় দোতলা মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী সালথায় ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত করে প্রশংসায় ভাসছে জামায়াতে ফরিদপুরে স্ত্রী ও শ্বশুর-শ্বাশুরীর প্রতারণায় নিঃস্ব কাঞ্চন মাতুব্বর ইস*ক*ন নিষিদ্ধের আহ্বান তাহাফফুজে দ্বীন পরিষদের

সালথায় ধর্ষণে তরুণী আন্তঃসত্বা: ২ লাখ টাকায় দফারফা

  • বর্তমান সময়: সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৯২৮ বার পড়া হয়েছে
সালথায় ধর্ষণে তরুণী আন্তঃসত্বা: ২ লাখ টাকায় দফারফা
সালথায় ধর্ষণে তরুণী আন্তঃসত্বা: ২ লাখ টাকায় দফারফা

সালথায় ধর্ষণে তরুণী আন্তঃসত্বা: ২ লাখ টাকায় দফারফা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সালথায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০ বছরের এক তরুনীকে একাধিবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষ‌ণের ফ‌লে ঐ তরুনী অন্তঃসত্বা হ‌য়ে প‌রে‌ছে। আর এই ঘটনা ধামাচাপা ও গ‌র্ভের সন্তান নষ্ট কর‌তে সমাজপ‌তিরা গোপনে ২ লাখ টাকায় দফারফা ক‌রে‌ছে ব‌লে অভি‌যোগ পাওয়া ‌গে‌ছে। ধর্ষক বর্তমা‌নে পলাতক, প‌রিবা‌রের দা‌বি তি‌নি এখন প্রবাসী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মা‌ঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষিতা তরুনীকে উদ্ধার করে তার গর্ভের সন্তানকে বাঁচানোর জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

জানা যায়, উপ‌জেলার গ‌ট্টি ইউ‌নিয়‌নের এক তরুনী উপ‌জেলার ভাওয়াল ইউ‌নিয়‌নের নারান‌দিয়া গ্রা‌মে খালা‌তো বো‌নের বাসায় বেড়া‌তে যায়, সেখা‌নে তার খালা‌তো বো‌নের দেবর ঐ তরুনী‌কে বি‌য়ের প্রলোভ‌নে একা‌ধিকবার ধর্ষণ ক‌রার ফ‌লে ঐ তরুনী ৮ মা‌সের অন্তঃসত্বা হ‌য়ে প‌রে। ধর্ষক ফেলা মাতুব্বর (৩০) ঐ এলাকার বা‌সিন্দা এবং বকা মাতুব্ব‌রের ছে‌লে। অ‌ভিযুক্ত ধর্ষক ফেলা বিবা‌হিত এবং নিঃসন্তান। ধর্ষিতা তরুনী বর্তমা‌নে ভ‌য়ে পা‌লি‌য়ে বেড়া‌চ্ছে। এই ঘটনা জানাজা‌নি হ‌লে মাত্র ২ লাখ টাকায় মিমাংসা করে স্থানীয় কতিপয় মাতুব্বর ও সমাজপতিরা। গোপন সা‌লি‌সে তরুণীর গর্ভে থাকা সন্তানকে নষ্ট করে ফেলানোর সিদ্ধান্ত দেয় তারা।

আরও জানা যায়, নারানদিয়া গ্রামের প্রবাসী সেলিম মাতুব্বরের স্ত্রী সারমিন আক্তারের খালাতো বোন হয় ওই ধর্ষিতা। সারমিন অভিযোগ করে বলেন, আমার খালাতো বোন মাঝে মাঝেই আমার বাড়িতে এসে থাকতো। একপর্যায় বছর খানেক আগে আমার বিবাহিত দেবর ফেলার সাথে তার প্রেম সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ফলে সে এখন ৮মাসের অন্তঃসত্বা।

স্থানীয়রা বলেন, ঘটনাটি জানাজানি হলে তারা ওই অন্তঃসত্বাকে বিয়ে করার জন্য ফেলাকে চাপ দেয়। কিন্তু এতে তিনি রাজি হন না। বরং স্থানীয় প্রভাবশালী আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষক নুরুল ইসলাম মাতুব্বর, আবুল খায়ের, বকুল মাতুব্বর ও সায়েম মোল্যাকে ম্যানেজ করে ধর্ষিতার পরিবারকে মিমাংসার জন্য চাপ দেয়। পরে ১৫এপ্রিল থেকে ২০এপ্রিলের মধ্যে কোন একদিন রাতে ওই প্রভাবশালীরা পার্শবর্তী কুমাপট্টি গ্রামে থাকা ধর্ষিতার খালু নান্নু মোল্যার বাড়িতে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি গোপনে মিমাংসা করে দেয়।

তারা আরো বলেন, এই টাকায় শুধু ধর্ষণের ঘটনা থাপাচাপা দেওয়া হয়নি, সালিশে ধর্ষিতার গর্ভে থাকা সন্তানকেও নষ্ট করার সিদ্ধান্ত দেয় প্রভাবশালীরা। মিমাংসার পর থেকে ধর্ষিত তরুনী তার গর্ভের সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আর ধর্ষক ফেলা মাতুব্বর বিদেশে চলে গেছেন বলে দাবী করেছেন তার পরিবার। তবে স্থানীয় অনেকে বলেছেন, ধর্ষক ফেলা দেশেই আছেন। তবে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

মিমাংসার বিষয় স্বীকার করে সালিশে থাকা প্রভাবশালীরা বলেন, আমরা সালিশে উপস্থিত ছিলাম স্থানীয়ভাবে। তবে কত টাকা মিমাংসা হয়েছে তা আমরা জানি না। এটা ওই তরুনীর খালু নান্নু বলতে পারবেন। আর সন্তান নষ্ট করার বিষয়টি সঠিক নয়। এমন কোনো সিদ্ধান্ত সালিশে নেওয়া হয়নি। তবে এ বিষয় ধর্ষিতার খালু নান্নুর ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ধর্ষিতার প্রতিবেশীরা বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি। ধর্ষিত তরুনী নারানদিয়া তার বোনের বাড়িতে থেকে ৮ মাসের অন্তঃসত্বা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হবার পর থেকে ওই তরুনী এলাকায় নেই। তবে সালিশে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা হতাশ হয়েছি। প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাই তাকে উদ্ধার করে তার গর্ভে থাকা সন্তানের জীবন বাঁচানোর জন্য।

ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা সার্কেল) মোঃ সমিনুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোজ খবর নিয়ে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আশিকুজ্জামান বলেন, নারানদিয়া গ্রামের এই রকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। তবে খোজ নিয়ে দেখছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page