অপূর্ব দাস অসীম : ফরিদপুর শহরের একটু অদূরে দূর্গাপুর ইউনিয়নের ঈশান গোপালপুরে সেলিম সাহেবের বাস, আর তার বাড়ির পাশেই তার ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছে “সেলিম এগ্রো ফার্ম এন্ড নার্সারি” । সেলিম সাহেবের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল একটা ভাল কিছু করে সকলকে দেখিয়ে দেবার ।
অবশেষে সেটাই করে দেখালো, ভাল জাতের বড়ই বল সুন্দরীর বাগান করে। বল সুন্দরীতে ভরে গেছে বাগান , প্রতিটি ডালের থোকায় থোকায় মিষ্টি স্বাদের বড়ই গুলো খেতে যতটা সু-স্বাদু দেখতে তার চাইতেও বেশি ভাল লাগে । বাগানে ঢোকার পর একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই বিভিন্ন জাতের বড়ই দেখে নিমিষেই দর্শনার্থীর মন কেড়ে নিবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।
বিভিন্ন জাতের ফল চাষের পর এবার স্বল্প বিনিয়োগ ও অধিক লাভের আশায় সেলিম মিয়া গড়ে তুলেছেন স্বাদের বড়ই বাগান। দুর দুরান্ত থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে নিচ্ছেন তার এই স্বাদের বড়ই বল সুন্দরী। এ বছর বড়ইয়ের দাম একটু ভালো থাকায় এগুলো বিক্রি করে লাভের মুখও দেখছেন সেলিম মিয়া। দেশের যুব সমাজকে বেকারত্বের হাত থেকে নিরসনের জন্য স্বল্প বিনিয়োগ ও অধিক লাভের প্রত্যাশায় বড়ই চাষের প্রতি উদ্ভুদ্ধ হওয়ার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন তিনি।
এতে করে একদিকে যেমন দেশের জিডিপির হার বাড়বে, ঠিক তেমনি দেশের বেকারত্বের হার নিরসন হবে বলে তিনি মনে করেন। সেলিম মিয়ার এই স্বাদের বাগান বিষয়ে কথা হলে তিনি ফরিদপুর সমাচারকে জানান, বিভিন্ন ফল চাষে আমি অনেক আগে থেকেই আগ্রহি। তবে একদিন ইউটিউব চ্যাণেল দেখে আমার বড়ই চাষ করার স্বপ্ন জাগে।
আর এ থেকেই আমি গত আট মাস আগে মোট ১ একর ৬৬ শতাংশ (৫ বিঘা) জমিতে বল সুন্দরী ৬০০, কাশ্মীরি আপেল কুল ৮৫০, সিডলেস জাতের বড়ই ৫০ টি চারা নিয়ে গড়ে তুলি আমার স্বাদের বাগান “সেলিম এগ্রো ফার্ম এন্ড নার্সারি”। শুরু হয়ে যায় আমার বড়ই বাগানের রক্ষাবেক্ষন কাজ। ইতিমধ্যে আমার বাগান থেকে বেশ কিছু বড়ই ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
তবে আমার বাগানে ফলন ভালো হওয়ায় রোপনকৃত ১৫০০ টি চারা থেকে প্রায় ১৮ হাজার কেজির অধিক বড়ই বিক্রি হবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি। তাছাড়া কেউ যদি স্বল্প মুলধনে এই বল সুন্দরীর চারা রোপন করে লাভবান হতে চায় তাহলে আমি স্বল্প মূল্যে সরবরাহ করবো এই আশা ব্যাক্ত করেন ।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply