সালথায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
আরিফুল ইসলাম, সালথা ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সালথায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থকের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ঐ সমর্থকের নাম কাজী মনির হোসেন, সে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রায়ের চর মুন্সিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে হামলা ও লুটপাটের এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই বিষয়ে ঐদিনই সালথা থানায় মনির কাজী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী কাজী মনির হোসেন বলেন, আমার দাদা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমরা পারিবারিকভাবে দীর্ঘ দিন যাবত আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ছাড় দেওয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়া ও যুবলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাবু মোল্যার নেতৃত্ব স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল হোসেন মিয়ার ঈগল পাখি মার্কার নির্বাচন করি।
স্থানীয় শাহাদত ডাক্তার পূর্ব থেকেই বিএনপি’র রাজনীতি করে আসছে এবং স্থানীভাবে আমার সাথে দলপক্ষ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো । নির্বাচনে সে কৌশলে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়। নির্বাচনে ফলাফলের ঘোষণার পর থেকে শাহাদত ডাক্তার আমাদের উপর হামলা করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। ঘটনার দিন ৬০/৬০ জনের মত লোক নিয়ে শাহাদত ডাক্তার ও সিয়াম হোসেন কাশেম আমার বাড়িতে হামলা চালায়। আমাকে না পেয়ে আমার বাড়িঘরে ভাংচুর করে। বাড়ির মহিলারা বাঁধা দিলে তাদেরও মারধর করে। আমার বাবা বয়স্ক মানুষ তাকেও মারধর করেছে। বাড়িঘর ভাংচুর করার পর ঘরের দরজা ভেঙ্গে নগদ টাকা পয়সা ও দামী মালামাল নিয়ে যায়। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের বিচার চাই।
অভিযুক্ত শাহাদত ডাক্তার বলেন, আমি লাবু চৌধুরীর সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। আমার দলীয় কোন পদ নেই। ঘটনারদিন আমি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হয়তো ঐ সময় পুলাপান এই কাজটি করেছে। আমি জানতে পারলে ওদের বাধা দিতাম। খোঁজ খবর নিয়ে দেখেন আমি মারাামারির রাজনীতি করি না। পুলাপান কাজটি করেছে, দোষ হয়েছে আমার।
এই বিষয়ে সালথা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান (পিপিএম) বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর ঘটনার দিন রাতেই একটি নিয়মিত মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসামিদের আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
Leave a Reply