স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এবার ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রূপা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। আজ বুধবার (২৪ আগস্ট) বিকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালথা থানার ওসি। এরআগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর একটি ঘর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক ভিক্ষুকের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপা বেগমের স্বামী মো. হায়দার মোল্যার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় ১৫ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে ১৬ আগস্ট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ওই মামলায় এখনও কারাগারে রয়েছেন। এরইমধ্যে আবার তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একই অভিযোগে মামলা হলো।
সালথা থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মো. আওলাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে (৩৮৫.৩৮৬.৫০৬) ধারায় মঙ্গলবার রাতে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপা বেগমের নামে একটি মামলা দায়ের করেন মিরাজ মোল্যা। এই মামলায় রূপার ছোট ভাই মোকাদ্দেস হোসেন ও স্বামী মো. হায়দার মোল্যাকেও আসামী করা হয়। মামলার বাদী মিরাজ উপজেলার মাঝারদিয়া গ্রামের ইকরাম মাতুব্বরের ছেলে। আসামী রূপা বেগম আর বাদী মিরাজ একই এলাকার বাসিন্দা।
তবে ঘরের জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রূপা বেগম বলেন, আমার এলাকার একটি মহল আমার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছে। ঘর দেওয়ার কথা বলে আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা নেইনি। আমার স্বামীও কারো কাছ থেকে কোন টাকা-পয়সা নেয়নি। এরা সরকারি ঘর না পেয়ে উল্টাপাল্টা অভিযোগ এনে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এদিকে গত বছর ৫ এপ্রিলে সালথায় তান্ডবের মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সালথা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান আছাদ মাতুব্বার। সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ সাদিক মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply