নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্ধারিত মূল্যে ফরিদপুরে জেলায় শুরু হয়েছে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম। ২০ মার্চ ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রবিবার এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার। শহরের কোমরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এ বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস, ফরিদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুদুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে সকাল ১০ টায় জেলার সকল উপজেলায়ও কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ সংম্লিষ্ঠ উপজেলায় ব্রিকয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেশব্যাপী নিম্ন আয়ের ১ কোটি পরিবারের জন্য সরকার কর্তৃক ভর্তুকি মুল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি করবে। এর আওতায় ফরিদপুর জেলায় উপকারভোগী হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ৭৭ হাজার ৬০৫ টি পরিবারকে তালিকাভুক্ত করা হয়। ইতোপূর্বে করোনাকালে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ২৫শ’ টাকা এবং ভিজিডি ও ভিজিএফের তালিকাভুক্ত হতদরিদ্রদের তালিকাকে ভিত্তি করে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। প্রত্যেককে দুটি কার্ড দেয়া হয়। এগুলো দিয়ে ১৫ দিন অন্তর দুবার এসব পণ্য কিনতে পারবেন তারা। জেলার ২৬টি স্পটে এসব পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। ফরিদপুরে টিসিবির ৬২ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিটি পৌরসভা ও ইউনিয়ন সদরে ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলছে এ পণ্য বিক্রি। এ কর্মসূচীর আওতায় প্রতিটি পরিবার ৪৬০ টাকায় ২ লিটার তেল, ২ কেজি ডাল ও ২ কেজি চিনির একটি করে প্যাকেজ কিনতে পারছেন।
জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ১২৬ জন এবং ডিলার ০৩ জন; ভাঙ্গা উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৩৯০ এবং ডিলার ১৩ জন; বোয়ালমারী উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৫০৪ জন এবং ডিলার ০৭ জন; সদরপুর উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৮৩৪ জন এবং ডিলার ০৫ জন; সালথা উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৪৪৫ জন, এবং ডিলার ০৭ জন; চরভদ্রাসন উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৪১ জন এবং ডিলার ০৬ জন; মধুখালী উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ২১৯ জন এবং ডিলার ০৬ জন; নগরকান্দা উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ২০৭ জন এবং ডিলার ০৬ জন; ফরিদপুর সদর উপজেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ০৩৬ জন এবং ডিলার ০৯ জন। জেলায় মোট উপকার ভোগীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৬০৫ জন এবং মোট ডিলারের সংখ্যা ৬২ জন। জেলায় মোট বিতরণকৃতব্য পন্যের মধ্যে সয়াবিন তেল ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ২০০ লিটার, চিনি ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন এবং মুশুর ডাল ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন রয়েছে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply