1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় সালথায় যুবদল নেতার দোয়া ও ইফতার মাহফিল সালথায় আইএফআইসি ব্যাংকের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সালথায় মুশফিক বিল্লাহ জিহাদের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় সালথায় বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির কামনায় সালথায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল সালথায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল নারীলোভী লিওন র ্যাবের জালে আটক ফরিদপুরে সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের উপর হামলার নির্দেশদাতা বিজেপি নেতা সহ গ্রেফতার তিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ফরিদপুরে দীর্ঘ প্রত্যাশিত রয়েল এনফিল্ড এর শোরুম উদ্বোধন

“ভালবাসা” ছোট্ট একটি শব্দ একটি সম্পর্কের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

  • বর্তমান সময়: রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
"ভালবাসা" ছোট্ট একটি শব্দ একটি সম্পর্কের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস
"ভালবাসা" ছোট্ট একটি শব্দ একটি সম্পর্কের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

“ভালবাসা” ছোট্ট একটি শব্দ একটি সম্পর্কের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

এনামুল মবিন(সবুজ),জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর : “ভালবাসা” ছোট্ট একটি শব্দ একটি সম্পর্কের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মনের বিভেদ ভূলে যাওয়ার এক অনাবিল অনুভূতির বহি:প্রকাশ। ৪ অক্ষরের মধ্যে খুঁজলে অনেক কিছু পাওয়া যায়। বাবা-মা,স্বামী-স্ত্রী- ভাইবোন, প্রিয় মানুষ ও বন্ধুদের কখনও হতাশা, কখনও বিচ্ছেদ আবার কখনও কাছে আসার তীব্র প্রয়াস। ভালবাসা এই ছোট শব্দটি মানেনা বয়স, জানে না দিন-ক্ষণ। ভালবাসা পরিপূর্ণতা আনে জীবন ভরিয়ে সবার মনে। কবি নির্মলেন্দু গুণের ছোট জবাব, ভালোবাসা বিশেষ ৭ দিনের জন্য নয়। প্রতিটি দিনের জন্যেই ভালোবাসা। তবে আজকের এই ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে বেছে নিয়েছে পৃথিবীর সকল মানুষ। বর্তমানে ভ্যালেন্টাইন্স ডে ,ভালবাসার এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে “বিশ্ব ভালবাসা দিবস”।

তারুণ্যের অনাবিল আনন্দ আর বিশুদ্ধ উচ্ছ্বাসে সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশের তরুণ- তরুণীদের মাঝেও ভালোবাসা দিবস পালিত হচ্ছে। ভালোবাসার উৎসবে মুখরিত পুরো-দেশ। ভালোবাসা দিবস উৎসবটির ছোঁয়া লেগেছে গ্রাম-বাংলার জনজীবনেও। আজকের এই দিনে চকলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ই-মেইল, মুঠোফোনের এসএমএস-এমএমএসে ভালোবাসার বার্তা, আংটি, প্রিয় পোশাক বই ইত্যাদি প্রিয়জনদের কে উপহার দেয়া হয়। একটা গোলাপ ফুল, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দুএক লাইন গদ্য অথবা পদ্য হয়ে উঠতে পারে উপহারের অনুষঙ্গ। এই দিনে ভালবাসার মানুষগুলো তাদের পছন্দের মানুষটির সাথে স্মৃতিময় করে রাখতে চায় এই ভালোবাসা দিবসটির সাথে ।

কি ভাবে এলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা অনেকেই জানিনা এর গোড়াপত্তনের ইতিহাস। যদিও এই দিবসের শুরুটা নিয়ে প্রচলিত আছে নানান কাহিনী। তবে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কাহিনীটি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের একজন পাদ্রী ও চিকিৎসককে নিয়ে।

কি ভাবে এলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে,বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর কেনোই বা ১৪ ফেব্রুয়ারি হলো এই দিনটি একটু জেনে আসি……….

সেই ২৬৯ খৃষ্টাব্দের কথা ওই সময় ইতালির রোম শহরে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসকও পাদ্রীর বস- বাস ছিলো। তৎকালীন রোমান সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস। তিনি রাজ্যে সুশাসন বজায় রাখতে তরুণ-যুবকদের নিয়োগ দিতেন।রাজ্যের যুবকদের দায়িত্ববান ও সাহসী করে গড়ে তুলতে বিয়ে নিষিদ্ধ করেন তিনি। সেসময় বিয়ে নিষিদ্ধ করায় রাজ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। পাদ্রী সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সকল বিধিনিষেধ অমান্য করে গোপনে তরুণ-তরুণী যুগলদের বিয়ের আয়োজন করতেন। রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস এর ফলে তাঁকে বন্দী করেন। পাদ্রী সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বন্দী থাকা অবস্থায় এক কারারক্ষীর অন্ধ মেয়ের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিলে তাঁর জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায়। এতে সম্রাট ক্রাডিয়াস ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন। ভ্যালেন্টাইনের এর মধ্যে দৃষ্টি ফিরে পাওয়া মেয়েটির সাথে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায় । ভ্যালেন্টাইন মৃত্যুদণ্ডের আগ মূহুর্তে কারারক্ষীদের মাধ্যমে গোপনে একটি চিঠি লিখে পাঠান সেই মেয়েটিকে। ওই চিঠির মধ্যে লেখা ছিলো, ঋৎড়স ণড়ঁৎ ঠধষবহঃরহব এই চিঠির লেখাটি সবার হৃদয়ে নাড়া দিয়ে যায়। সেই দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ৷

জানা যায়, ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ গেলাসিয়াস সর্ব প্রথম এই দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেন৷ ১৭০০ শতাব্দীতে দিনটিকে জনপ্রিয়ভাবে পালন শুরু করে ব্রিটেন৷ শুরু হয় হাতে লেখা কার্ড অথবা উপহার বিনিময় এরপর ১৮৪০ সালে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ‘ভালবাসা দিবস’-এর উপহার তৈরি শুরু করেন এস্থার এ হাওল্যান্ড৷ যদিও ভালবাসা নিয়ে মানব মস্তিষ্কে কিছু সমীকরুণ আর হৃদয়ের গহিনে কিভাবে তার উৎপত্তি হয় তা এখনো নির্ণয় করা বিজ্ঞানীদের সম্ভব হয়নি।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে ,বিশ্ব ভালোবাসা দিবসটি ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে। এই দিনটিকে ঘিরে প্রতি বছর গ্রাম থেকে শহর অবদি থাকে নানান আয়োজন। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুকরুণে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের সব দেশেই বাড়ছে দিনটির কদর।

প্রথমদিকে ভালোবাসা উদযাপনের দিনটি সীমাবদ্ধ ছিল ইংল্যান্ডের রাজকীয় পরিবার এবং অভিজাত সমাজে। উনবিংশ শতাব্দীতে এই দিনটি সার্বজনীন উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শুরু হয় ভালোবাসার মানুষকে ফুল, গ্রিটিংস কার্ড, চকলেট, অলংকারসহ নানা উপহার দেয়া ও একান্তে সময় কাটানোর রীতি এবং বিংশ শতাব্দীতে এসে ভালোবাসা দিবস পৌঁছে যায় মানুষের হৃদয়ে গভীরে, ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী। বিভিন্ন দেশে এ নিয়ে নানা বৈচিত্র লক্ষণীয়।

পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো ‘ভ্যালেন্টাইন কার্ড’-টি সংরক্ষিত আছে লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে ৷ ভালবাসা মানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অনুভূতি গুলো। যার সাহায্যে জীবন টাকে এগিয়ে নিয়ে যায় যে কোনো পরিবেশে। বছরের ৩৬৫ দিনই ভালবাসার দিন কিন্তু হয়তো বলা হয়না। তাই ১৪ ফেব্রুয়ারী কতটা ভালবাসি তারই ছোট রূপ প্রকাশ করার দিন কারণ ভালবাসাতো আর পরিমাপ বা ওজন করা যায় না।

পরিশেষে কথা গুলো আপনাদের জন্য ভালোবাসার নেই কোন রঙ বা রূপ। হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয় ভালোবাসা। প্রিয়জনকে ভালোবাসতে বা তা প্রকাশ করতেও প্রয়োজন নেই কোনো নির্দিষ্ট ক্ষণ, দিন, মাস বা বছরের। সব কথার পরও গুরুত্ব বলে একটা কথা থেকে যায়। আর এই ভালোবাসার গুরুত্ব বা তাৎপর্যকে তুলে ধরতেই জন্ম হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের। সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page