1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 

সদরপুরে ৪৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা জোরদার

  • বর্তমান সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৩১ বার পড়া হয়েছে
সদরপুরে ৪৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা জোরদার
সদরপুরে ৪৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা জোরদার

সদরপুরে ৪৪ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা জোরদার

মাসুদ হাওলাদার , সদরপুর উপজেলা প্রতিনিধি : এদিকে শুরু হলো হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বী লোকজন যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে সেদিকে রয়েছে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন সার্বক্ষণিক উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের খোজ খবর রাখছেন। শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি পূজামণ্ডপে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।( সম্পূর্ন ভিডিও)

 

গতবছর করোনা পরিস্থিতি মহা বিপর্যয় ঘটায় অল্প পরিসরে পূজা পালন করা হলেও এবার করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকায় প্রতিটি মণ্ডপে ব্যাপক লোকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সদরপুর বাজার, পূর্ব শ্যামপুর ও সতের রশি, ২২ রশি ডাক্তার বাজার, খেজুরতলা নিলয় বাবুর বাড়ি, ৮ রশি কালীখোলা, ঢেউখালি ও বাবুরচর সার্বজনীন দূর্গামন্দিরে বেশ আড়ম্বরপূর্ণ পূজা পালন করতে দেখা যায়।

এবার মা দুর্গাদেবীর আগমন হয়েছেঘোড়ায় চেপে। মূলত সকল অপশক্তি ও অকল্যাণকে পরাজিত করার লক্ষ্যে তাঁর এ যুদ্ধ বাহনে আসা। বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মাঝে ৬ শত বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলছে এ দুর্গাপূজা। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা মনে করেন সকল অকল্যাণ ও অপশক্তিকে পরাস্ত করার জন্য মা দুর্গাদেবী এই ধরাধমে আর্বিভূত হন। মূলত বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিম বাংলা ভাষাভাষী হিন্দুদের মধ্যেই এপূজা সবচেয়ে বেশি আনুষ্ঠানিকতা ও আড়ম্বরের সাথে পালিত হয়ে আসছে। এছাড়া হিন্দু অধ্যুষিত দেশ নেপালে ও দুর্গাপূজাকে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হিসেবে পালন করতে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সংস্কৃত ভাষায় রচিত রামায়ণে দুর্গাপূজার কোন উল্লেখ ছিলোনা। কিন্ত রামায়ণ যখন বাংলা ভাষায় অনুদিত হলো মূলত তখন থেকেই দেবী হিসেবে দূর্গার মহাত্ম বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page