এনামুল মবিন(সবুজ), জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর : দেশে ভাইরাসজনিত জ্বর(ভাইরাল ফিভার)এর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এই জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। দেশে করোনাকালে ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। এতে সবচাইতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও বাদ যাচ্ছে না এ রোগের কবল থেকে।
শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরা এই জ্বর করোনার নতুন কোনো ধরন কিনা তা যাচাই করার জন্য জিনোম সিকুয়েন্সিং করারও পরামর্শ দিয়েছেন। এদিকে, দেশে হঠাৎ করে মহামারির মাঝেই শিশুদের মধ্যে ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত হওয়ায় অভিভাবকরা আছেন প্রচণ্ড ভয়ে। ভাইরাসজনিত জ্বরের রোগী সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ইতিমধ্যে অনেক রোগীকে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভাইরাল ফিভারের কারণে চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর লক্ষণ এখনো দেখা যায়নি।
এই জ্বরের লক্ষণগুলো হচ্ছে…
👉সর্দি-কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া,
👉কাশি খুব বেশি হয়।
👉 জ্বর ১০৩ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত ওঠে।
👉 জ্বর ৫ দিন থাকে। ৩ দিন থাকে খুবই মারাত্মক।
এই জ্বরের সঙ্গে ডেঙ্গু জ্বরের বিভ্রান্তি রয়েছে। এই জ্বর করোনাও না, ডেঙ্গুও না। তবে এই জ্বর করোনার নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট কিনা বলা খুব মুশকিল। করোনা কিনা সন্দেহ থাকে। তাই এজন্য জিনোম সিকুয়েন্সিং করা প্রয়োজন।
**জ্বরের জন্য সাধারণ রোগীদের প্যারাসিটামল, সর্দি থাকলে এন্টি হিস্টামিন খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি বেশি কাশি অন্য কোনো ধরনের জটিলতা থাকলেও ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা উচিত ।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply