সাজ্জাদ হোসেন সাজু (চরভদ্রাসন প্রতিনিধি), ফরিদপুর জেলা সদর থেকে ২৭ কিলোমিটার পূর্বদিকে চরভদ্রাসন উপজেলা অবস্থান,এই উপজেলায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে , তারমধ্যে এই জেলখানাটি অন্যতম। ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ধ্বংশের মুখে একমাত্র জেলখানা ভবনটি। অবহেলা ও অযত্নে দিন দিন ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে পুরাতন এই জেলখানাটি।অব্যাবহার আর কার্যক্রমহীন হওয়ায় আজ জেল খানাটি নস্ট হয়ে যাচ্ছে, সাথে সাথে অপব্যাবহার ও হচ্ছে।
দেখা যায়, উপজেলা সদরের পাশে অবস্থিত জেলখানা ভবনটি ১৯৮৮ সালে নির্মাণ করার পর তখনকার মাননীয় পাট মন্ত্রী জনাব শেখ শহীদুল ইসলাম ১৬/০৮/১৯৯০ সালে কারাগারটির শুভ উদ্বোধন করেন। প্রথম দিকে কারাগারটিতে মাত্র ২ বছর র্কাক্রম চালু থাকলেও পরবর্তিতে ১৯৯০ সালে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে উক্ত কারাগারটিতে সব ধরনের চলমান কার্যক্রম অনিদিষ্ট্ কালের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।
জানা যায়, ১৯৮৭-৮৮ অর্থবছরে উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অধীনে উক্ত কারাগারটি নির্মান করা হয়। আর ১ একর ১৫ শতাংশ জমির উপড় ১৯৮৮ সালে নির্মিত উক্ত জেলাখানা ভবনটিতে মূল কারাগার ১টি, মহিলা কারাগার ১টি, স্টাফ কোয়ার্টার ১টি ও ১টি ব্যারাক হাউস ও ৩ টি বিশাল বিশাল ভবনসহ কারাগারটির ১ একর ভিটা জমির চতুর্দিকে রয়েছে শক্ত ইটের বাউন্ডারি। অপরদিকে কারাগারটি উপজেলা সদরের সন্নিকটে অবস্থিত হওয়ায় উপজেলার যে কোন স্থান হতে উক্ত কারাগারটিতে যাতায়াতেরও রয়েছে সু-ব্যবস্থা। আর তাই বহুদিনের উক্ত পরিত্যক্ত জেলখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে থাকায় জেলখানাটি সংস্কার করে ভালো একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দাবিও করে চলেছেন উপজেলার স্থানীয়রা। এছাড়া ধ্বসাবশেষ সরকারি সম্পদ রক্ষা করার জন্য তৎপর স্থানীয় লোকজন।
শুক্রবার সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসি বলেন, সরকার চাইলে এখানে একটি মানসম্মত একটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করতে পারে । যা , দীর্ঘদিন ধরে এখানকার মানুষের একটি স্বপ্ন । এখানে সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠবে দীর্ঘদিন ধরে এখানকার কারাগারটি অযত্নে অবহেলায় জঙ্গল জর্জরিত হয়ে পরিত্যক্ত ভাবে পড়ে থাকায় এর ইট গুলি খুলে নেওয়ার পাশাপাশি মূল্যবান ও দামি দামি জিনিস পত্র গুলো আশেপাশ থেকে আসা কিছু নেশাখোর ও মাদকসেবী বখাটেরা চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় সরকার লাখ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে ।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply