আরিফুল ইসলাম : ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ যুবক কে আটক করেছে সালথা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ আগষ্ট) গভীর রাতে সালথা থানা এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আসামীদের আটক করে। আটকৃতদের ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার সালথা এলাকার হোসাইন শেখ (২০) এর সাথে বেশ কিছু দিন পূর্ব থেকে মোবাইল ফোনে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে হোসাইন তরুণীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয় এবং গত ১৯ আগষ্ট সন্ধ্যায় ফোন করে মাঠ সালথা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে আসতে বলে।
সেখানে পৌছলে হোসাইন শেখ বিয়ে করার কথা বলে এনামুলের বাড়িতে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরবর্তিতে হোসাইন তার বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে জনৈক হাজী মোয়াজ্জেম হোসেন এর পুকুর পাড়ে বড়ই বাগানের পাশে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর আরও ১০ জন পর্যায়ক্রমে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে। আসামীরা ঘটনার বিষয়ে কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয়। তরুণী সেখান থেকে বাড়ীতে চলে যায় এবং মানসম্মানের ভয়ে চুপ থাকে। পরবর্তীতে ২২ আগষ্ট বিকালে হোসাইন শেখ ফোন করে ভুল স্বীকার করে এবং ঐদিনেই বিয়ে করবে বলে তরুণীকে সালথা বাজারে আসার জন্য বলে।
তরুণী সালথা বাজারে পৌছলে, হোসাইন শেখ ও আরও ৩জন মদনদিয়া শৈলডুবি ডোবায় নৌকায় ঘুরার কথা বলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। তরুণীর আত্ম চিৎকারে হোসাইন সহ আপর ৩ জন নৌকায় রেখে পানির মধ্যে দিয়ে পলায়ে যায়। তারপর পবিবারের সাহায্য নিয়ে তরুণী থানায় যায়। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসিকুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের মাঠ সালথা এলাকার চুন্নু শেখের পুত্র হোসাইন শেখ (২০), মৃত জয়নাল মোল্যার পুত্র হোসেন মোল্যা (২০), মৃত মান্নান মোল্যার পুত্র রেজাউল মোল্যা (৩৫), রশিদ মোল্যার পুত্র জাকির মোল্যা (২১) এবং সেমেল ফকিরের পুত্র রবিউল ফকির (২১)।
এই বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসিকুজ্জামান বলেন, গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এমন অভিযোগে, পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply