মানিক দাস,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার ভাংগা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে ভাংগা থানা এলাকায় অভিযানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন, ভাংগা থানাধীন পূর্ব হাসামদিয়া গ্রামের ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের উত্তর পাশে সুগন্ধা ফিলিং স্টেশনের বাউন্ডারীর মধ্যে একটি পিকআপের মধ্যে গাঁজা আছে। উক্ত গাঁজা বিক্রির জন্য ভাগ বাটোয়ারা করা হবে। এই সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ঐ সময় ঘটনাস্থলে থাকা একটি নীল হলুদ রংয়ের পিকআপ যার রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রো নং- ১১-৯৮৯৬ গাড়িতে ওঠার চেস্টারত অবস্থায় একজন লোককে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে আটকের চেস্টা করলে সে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে কিছু দূরে অপর একজন অনুসরণকারী মোটরসাইকেল আরোহী যার মোটরসাইকেল রেজি নং ঢাকা মেট্রো ল-১৭-২৮৬৮ ফেলে মাঠের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোক পালিয়ে যাওয়া লোক, তাদের ফেলে যাওয়া পিকআপ গাড়ি এবং মোটরসাইকেল সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা পলাতক একজনের নাম ইয়াদ আলী খয়রাতি @ কুটি খয়রাতি(৪৮) পিতা: মৃত সত্তার খয়রাতি, সাং-হাজরাহাটি, থানা-ভাংগা, জেলা-ফরিদপুর বলে জানায়। উপস্থিত লোকদের সামনে পুলিশ উক্ত পিকআপ তল্লাশি করে পিকআপের কেবিনের ওপর বিশেষ কৌশলে বানানো বক্স হতে পলিথিন ও স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ০৪ টি বান্ডিলে সর্বমোট ০৭ (সাত) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
উক্ত গাঁজাসহ একই সাথে আসামীদের পিকআপ ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা শেষে এসআই/ সুমন মিয়া বাদী হয়ে ভাংগা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন যা ভাঙ্গা থানার মামলা নাম্বার- ১৫ তারিখঃ ১৭-০৮-২০২১ খ্রিঃ ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬(১) সারণি ১৯(খ)। ভাংগা থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস পর্যালোচনায় জানা যায়, আসামী ইয়াদ আলী খয়রাতি @ কুটি খয়রাতির বিরুদ্ধে ০১ টি মাদক মামলাসহ মোট ০৩ টি মামলা রয়েছে। জেলা পুলিশ, ফরিদপুর। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির
You cannot copy content of this page
Leave a Reply