এনামুল মবিন(সবুজ), জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর : দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলা ও খানসামা উপজেলার মধ্যবর্তী চান্দেরদহ মোড়ে সোহানা কে পাওয়ার যায়। সে একজন মানুসিক রোগী। চিরিরবন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদ কর্মীদের সহযোগীতায়, অবশেষে ১৮ দিন পর ফিরে পেলো সোহানা তার পরিবারকে। শনিবার (২৪জুলাই) ১৮ জুলাই থেকে চিরিরবন্দর-খানসামা উপজেলার মধ্যবর্তী চান্দেরদহ মোড়ে ২০ বছরের মানসিক রোগী সোহানা অবস্থান করছিল ।
সোহানার কাছে তার পরিচয় জানতে চাইলে তার দেয়া তথ্যমতে,তার নাম,মোছাঃ সোয়ানা, পিতা,মোঃ সদর আলী,মাতা মোছাঃ জুলেখা খাতুন। বাড়ি রংপুরের কামাল কাছনা এলাকায়। সে রংপুর কল্যান সংসদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে। এই তথ্যটির উপরে সকালে বিষয়টি গনমাধ্যমে দেয়ার পাশাপাশি রংপুর সিটি কর্পোরেশন মেয়র, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরদের সাথে চিরিরবন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোছাঃ লায়লা বানু ফোনে যোগাযোগ করেন। পরে তাদেরকে সোহানার তথ্য ও ছবি পাঠিয়ে পরিচয় সনাক্ত করার কথা বলা হয়।
সোহানার পরিচয় সনাক্ত করেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মীর জামাল উদ্দীন।সোহানার বাবা-মায়ের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। বিকেলে সোহানা কে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন, চিরিরবন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা বানু ও খানসামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এটিএম সুজাউদ্দীন লুহিন শাহ্।
সোহানার পরিবারকে রংপুরে যাতায়াতের জন্য ৩০০০ টাকা ও নতুন জামাকাপড় উপহার দেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ লায়লা বানু। সোহানার মা জানায়, গত ৬ তারিখ থেকে সোহানা কে খুঁজে পাচ্ছিলাম না।অনেক খুঁজেছি আমার মে কে, থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছি। শহরের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং ও করেছি কিন্তু আমার মেয়েকে খুঁজে পায়নি ।
অবশেষে আজ আমার মেয়েকে খুঁজে পেলাম। তিনি ধন্যবাদ দেন চিরিরবন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ লায়লা বানু, খানসামা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এটিএম সুজাউদ্দীন লুহিন শাহ্ এবং সাংবাদিক নূরনবী ইসলাম ও সাংবাদিক এনামুল মবিন(সবুজ)কে। প্রায় ১ ঘন্টার মধ্যে চিরিরবন্দর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ লায়লা বানু এবং খানসামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এটিএম সুজাউদ্দীন লুহিন শাহ্ ও সংবাদিক নূরনবী ইসলাম এবং সাংবাদিক এনামুল মবিন(সবুজ) এর চেষ্টায় অবশেষে সোয়ানার পরিবারের সন্ধান মেলে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply