নিজস্ব প্রতিবেদন : পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকে সামনে রেখে পেঁয়াজ খেত পরিচর্য়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ফরিদপুরের চাষিরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভাল ফলন পাবার আশা তাদের। এবছর একাধিক বন্যা ও অতি বৃষ্টির কারনে নির্দিষ্ট সময়ে জমি থেকে পানি না সরায় পেঁয়াজের বাল্ব রোপনে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে এরই মধ্যে অনেক জমিতে বীজ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। তুলুনামূলক উচু জমি চাষাবাদ করে চাষিরা পেঁয়াজের বাল্ব রোপন শুরু করেছে।(বিস্তারিত দেখতে নিচের ভিডিওতে টাচ করুন)
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেঁয়াজ চাষীরা নিরলসভাবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিচর্যা করে যাচ্ছে। জমিতে সার দেওয়া, সেচ দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ কিটনাশক প্রয়োগ, এগুলোই তাদের নিত্য দিনের কাজ। পেঁয়াজ বাল্ব দেরিতে রোপন করায় প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি পরিশ্রম করছে বলে জানায় পেঁয়াজ চাষিরা।
যে চারা গুলো কয়েকদিন আগে রোপন করা হয়েছে, সেগুলোও পেঁয়াজ গজিয়ে পাতা গুলো সবুজ আকার ধারণ করেছে। ফরিদপুরের মাটি ও আবহাওয়া পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের জন্য উপযোগী হওয়ায় এ জেলায় পেঁয়াজ বীজ চাষির সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানা যায়, দেশের মোট চাহিদার ৭৫ভাগ পেঁয়াজ বীজ ফরিদপুর জেলার চাষিরা উৎপাদন করে থাকে। এ বীজের সিংহ ভাগ উৎপাদন হয়ে থাকে ফরিদপুরের অম্বিকাপুরে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সর্বদা পেঁয়াজ চাষিদের সুবিধা অসুবিধার দিকে নজর রাখছেন।
ফরিদপুর অঞ্চলে প্রচুর পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হলেও এখানে বীজ সংরক্ষণের জন্য নেই কোন হিমাগার। জরুরী ভিত্তিতে ফরিদপুরে একটি হিমাগার নির্মিত হলে উপকৃত হবে কৃষকসহ এ অঞ্চলবাসী। সহজ শর্তে ব্যাংক লোন পেলে পেঁয়াজ চাষে আরো অনেকে উদ্বুদ্ধ হবে বলে চাষিদেও সাথে কথা বলে জানা যায়।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply