সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের সালথায় তাণ্ডবের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার দুই আসামীর নাম কাটাতে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দিপু মোল্যা (৩৮)। এই বিষয়ে গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছে সে। দিপু মোল্যা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার ছোরাপ মোল্যা ওরফে মান্দার মোল্যার ছেলে।
দিপু মোল্যা এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি নিরীহ লোক, মুজিব আদর্শে রাজনীতি করি। বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম শত্রুতামূলক আমাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর জন্য ঐ মহিলাকে দিয়ে থানায় অভিযোগ করিয়েছে। গত ৫ই এপ্রিল সালথা উপজেলার সরকারি স্থাপনায় তাণ্ডবের পর সালথা থানার এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩ থেকে ৪ হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আদিল মোল্যার ছেলে সানোয়ার মোল্যা (৬০) ও শাহজান মোল্যা (৬৫) নামের দুই ভাইকে আসামী করা হয়। সানোয়ার ও শাহজান খারাপ প্রকৃতির মানুষ এবং চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের সমর্থক, তারা এই মামলা থেকে বাঁচার জন্য কৌশল অবলম্বন করছে, তাদের নামে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। মূলত সামাজিকভাবে হেয়পতিপন্ন ও হয়রানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।
তিনি আরও বলেন মানবিক পুলিশ অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান স্যার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সুমিনুর রহমান স্যার এবং সালথা থানা ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসিকুজ্জামান স্যারের নিকট অকুল আবেদন আপনার সুষ্ট তদন্ত করে দেখুন, তাহলেই আসল সত্য বেড়িয়ে আসবে। সেই সাথে গত ৫ই এপ্রিল গুজব ছড়িয়ে তান্ডবের সঙ্গে জড়িত সকলের বিচার দাবি করছি পাশাপাশি কোন নিরীহ মানুষ যেন শাস্তি না পায় সেই দিকে খেয়াল রাখার জন্য স্যারদের কাছে অনুরোধ জানাই
এই বিষয়ে অভিযোগকারী সেলিনা বেগমের বক্তব্য পাওয়া যায় নাই, তবে বল্লভদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, আমি কিছুই জানতাম না, তবে দরখাস্ত হওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরেছি। এই বিষয়ে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসিকুজ্জামান বলেন, টাকা চাওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি, ওই এলাকায় দল পক্ষ নিয়ে রেশারেশি চলছে দীর্ঘ দিন। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply