সাজ্জাদ হোসেন সাজু চরভদ্রাসন প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলার চরভদ্রসন উপজেলা নির্বাহি অফিসার জেসমিন সুলতানা জানান,মহান মুক্তিযুদ্ধে চারুবালার উপর নির্যাতন ও তার স্বামী, সন্তান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করে আমি সত্যতা পায়। পরে জেলা প্রশাসনের কাছে আমি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছি।
জেলা প্রশাসক মহোদয় নারী মুক্তিযোদ্ধা (বীরঙ্গনা) স্বীকৃতির জন্য সুপারিশ করে উক্ত প্রতিবেদনটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তিনি আর ও বলেন, চারুবালা কে আমরা যাবতীয় সরকারি সুবিধা প্রদান করা সহ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক একটি থাকার ঘর ও তার নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অচিরেই প্রধানমন্ত্রীর দিওয়া ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। জানা যায় ১৯৭১ সালের ৭ মে দুপুরে ২০/২৫ জন পাকিস্তানী সেনা চারুবালার পরিবারের ঢুকে তার স্বমী চন্দ্রকান্ত বিশ্বাসকে গুলি করে হত্যা করে এবং চারুবালার কোলে থাকা শিশু কন্য পার্বতী কে আচরিয়ে মেরে ফেলার পর তাকে গণধর্ষণ করে পাকবাহিনী।
এরপর ৫0 বছর কাল অসহায় বীরাঙ্গনর চারুবালা নিঃস্ব জীবন যাপন করে চলছিল। এবং বিভিন্ন নেতাকর্মীর পিছনে ছুটাছুটি করার পরও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় নাই। সম্প্রতী ফরিদপুর জেলা শহীদ স্মৃতি সংরক্ষন কমিটির সভাপতি সাজ্জাদুল হক সাজ্জাদ ও জেলা সদস্য মোঃনুরুল ইসলাম মিন্টু চরাঞ্চলের পড়ে থাকা উক্ত বীরাঙ্গনাকে খুঁজে বের করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবগত করার পর তোলপাড় শুরু হয়।
Leave a Reply