এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ শামীম আহম্মেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক পাবলো, সদস্য মঞ্জুরুল, মোঃ রবিউল ইসলাম,
রাজবাড়ী পৌরসভার ইমাম মোঃ আসাদুজ্জামান নুর, ঠিকাদার মোঃ টুটুল, ৭নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য আব্দুল্লাহ প্রমূখ।
নব-নির্বাচিত মেয়র আলমগীর শেখ তিতু বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের জন্য যুদ্ধ করে গেছেন। মানুষের ডাল ভাতের জন্য যুদ্ধ করেছেন। যে মানুষটি তার সারাটি জীবন উৎসর্গ করে আমাদের বাংলা ভাষা এনে দিয়েছে এবং একটি স্বাধীন দেশ দিলো, তাকে হত্যা করা হলো। এ কথা মনে পড়লে অনুভূতিহীন হয়ে পড়ি। গা শিউরে ওঠে। এদেশের সব শ্রেণীর মানুষের জন্য স্ব-পরিবারে জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। কিন্তু আমরা আসলে বড়ই অকৃতজ্ঞ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাতদিন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন জাতির ভাগ্য উন্নয়নের জন্য। জাতির দূর্দশা দূর করার জন্য, আমাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য। অথচ আমরা এমন নেতাও দেখি যারা নিজেদের আখের গোছানোর জন্য ব্যাস্ত। যাইহোক, বঙ্গবন্ধু বলেছিল সোনার মানুষ তৈরী করতে হবে, সোনার বাঙ্গলা করতে চাইলে সোনার মানুষ হতে হবে।
আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। আমি সারাটি জীবন নৌকার পক্ষে কাজ করেছি। আমি নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করিনি, আমি একজন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছি। সারা বাংলাদেশে যে উন্নয়ন সেটা রাজবাড়ীতে মিলান হয়ে যাচ্ছিল । এটাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর জন্য আমি নির্বাচন করেছি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাই, রাজবাড়ীতে আমার দলের যারা নীতি-নির্ধারক আছে তাদের কাছেও ক্ষমা চাই।
আমি বলতে চাই, আমি এখনো বঙ্গবন্ধুর কর্মী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। ইনশাআল্লাহ এখনো একজন সৈনিক হিসেবেই থাকবো এবং একজন কর্মী হিসেবেই কাজ করে যাবো। বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন , সোনার মানুষ তৈরী করতে হবে। আমি সোনার মানুষ হিসেবে থাকতে চাই। সোনার মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়তে চাই। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, কাউন্সিলর যখন ছিলাম তখনও মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনেছি। আর এখন মেয়র নির্বাচিত হয়েছি, এখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আগের মতোই দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
Leave a Reply