এস এম মনিরুজ্জামান: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের অধীনে ফরিদপুর (বিএডিসি হিমাগার) উপপরিচালক ( টিসি) দপ্তরের আয়োজনে, মানসম্পন্ন বীজআলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে, বীজআলু উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ ও বালাই ব্যবস্থাপনার উপরে দুই দিনব্যাপী বীজ ডিলার ও আলু চাষিদের প্রশিক্ষণের উদ্ধোধন করা হয়েছে।
ফরিদপুর ডোমরাকান্দি বিএডিসি হিমাগারের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের উদ্ধোধন করেন বিএডিসি ( বীজ ও উদ্যান) সদস্য পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। বিএডিসি (মাবীউকৃবিপ্র) প্রকল্প পরিচালক মোঃ আবীর হোসেন এর সভাপতিত্বে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিএডিসি ( বীজ) মহাব্যবস্থাপক প্রকাশ কান্তি মন্ডল। আরো বক্তব্য রাখেন বিএডিসি যুগ্ন পরিচালক আব্দুল সামাদ খান। প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর বিএডিসি হিমাগার (টিসি) উপ-পরিচালক কে. এম মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠান উপাস্থাপনা করেন বিএডিসি উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুলা আল মামুন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি হিমাগার টিসির আওতায় চুক্তিবদ্ধ চাষিদের অনুরোধ নিম্ম মানের আলুর বীজ সংগ্রহ না করি। ভালো আলুর বীজ উৎপাদন করেলে, এতে মানসম্মত ফসল উৎপাদন করে চাষি লাভবান হবে। আন্তর্জাতিক মূল্য ও উৎপাদন বিবেচনায় বাংলাদেশের ২০টি প্রধান ফসলের মধ্যে ধানের পরই আলুর স্থান। আলু উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশ এশিয়ার মধ্যে ৩য় ও পৃথিবীর মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে।
বিএডিসি ১ লক্ষ মেট্রিক টন বীজ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে, ৫ হাজার মেট্রিক টন আলু রপ্তানি করতে পারবে বলে জানান। আলু চাষের জমির পরিমাণ প্রায় (৪.৬৪ লাখ হে.), মোট উৎপাদন ও গড় ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিকন্তু একক সময়ে একক পরিমাণ জমিতে এত বেশী ফলন (গড় ফলন ২৩ টন/হেক্টর) অন্য কোন চাষযোগ্য ফসলে পাওয়া যায় না এবং আলু উৎপাদন মৌসুমে তেমন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকে না বলে আলু চাষিরা আরও বেশী উৎসাহিত হচ্ছে। আলু গাছে বাংলাদেশে সাধারণত ফুল হয় না, তাই প্রথম দিকে বিদেশী জাত অবমুক্তির মাধ্যমে আলু চাষ শুাং হয়।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply