অপূর্ব দাস অসীম : বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কালের বিবর্তনে কৃষি কাজে এসেছে আধূনিকতার ছোঁয়া। আর এরই ধারাবাহিকতায় দেশে আসছে নতুন নতুন জাতের বিভিন্ন ফল-ফলাদির চারা। এর মধ্যে অন্যতম একটি ফল পেয়ারা। মানুষ এখন আর পড়াশুনা করে বেকার থাকতে চায় না। অনেকেই কৃষি কাজকে ভালোবেসে, ব্যাপক পরিশ্রম এবং উপযুক্ত শিক্ষা নিয়ে নিজেরাই তৈরি করছে বিভিন্ন ফলের বাগান।(পেয়ারা বাগানের সম্পূর্ন ভিডিও দেখতে নিচের ছিবিতে টাচ করুন)
এমনই একজন যুবক ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের আরিফ বাজার গ্রামের ছেলে সাঈদুর রহমান। প্রথম জীবনে সে একটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন। এরপর তার মাথায় আসে কৃষি কাজের কথা। প্রথমে তিনি চর নশীপুর গ্রামে একটি কলার বাগান করেন। এক পর্যায়ে তিনি অন্য কোন ফল চাষের কথা ভাবতে থাকেন, মাথায় আসে পেয়ারা চাষের কথা। চলে যান চুয়াডাঙ্গা, সেখানে পেয়ারার চাষ দেখেন এবং কিভাবে এ বাগান করতে হবে তার সম্মুখ ধারনা নেন। ফিরে আসেন ফরিদপুরে এবং নিজ উদ্যোগে ২২ বিঘা জমি নিয়ে তৈরি করেন সাঈদুর এগ্রো ফার্ম (পেয়ারার বাগান)।
সুদূর চুয়াডাঙ্গা থেকে থাই থ্রি ও থাই ফাইভ জাতের প্রায় ৭ হাজার চারা সংগ্রহ করে ২২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেন তার এরই স্বপ্নের পেয়ারা বাগান সাঈদুর এগ্রো ফার্ম। দুই বছর আগে গড়ে তোলা এই পেয়ারার ফার্মে এ যাবত কাল প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন তিনি। বিনিয়োগের সিংহ ভাগ টাকা চলে এসেছে তার হাতে। এ বছরই পেয়ারার বাগান থেকে লাভের মুখ দেখবেন বলে প্রত্যাশা করছেন সাঈদুর রহমান।
ফরিদপুর সমাচার এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন বেকারত্ব একটি অভিশাপ, দেশের যুব সমাজ যদি একটু শিক্ষা নিয়ে আমার মতন এমন কোন একটি বাগান করতে পারে, তবে দুর হবে বেকারত্ব, নিজে হবে স্বাবলম্বী, দেশকে করবে উন্নত। তিনি আরো জানান, বর্তমানে ফরিদপুরে উৎপাদিত পেয়ারা সম্পুর্ন ভাবে এই জেলার মানুষের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply