1. faridpursamacharbd@gmail.com : Apurba Kumar Das : Apurba Kumar Das
  2. faridpursamachar@gmail.com : Apurba kumar Das : Apurba kumar Das
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ:
ফরিদপুর সমাচার নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম । ভয়াল করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। বাস্তব সমাচার , আমাদের অঙ্গিকার ।। 
শিরোনাম :
ফরিদপুর দেবীনগরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা সালথায় পৃথক স্থানে সাপের কামড়ে গৃহবধূ ও শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন সালথায় নবজাতক পরিবারের মাঝে সুজনের গাছের চারা বিতরণ সোনালি আঁশের গৌরব ফিরিয়ে আনতে ফরিদপুরে বিএডিসির পাট ফসলের মাঠ দিবস ও বীজ ডিলার কর্মশালা নারী ও কিশোরীদের জন্য সেবা সহজলভ্য করতে সমন্বয় ও রেফারেল ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে একই কাব্য সংকলনে ফরিদপুরের কবি আব্দুল আলিম মৃধা আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি রেবিস ভ্যাকসিন হস্তান্তর এফডিএফ আয়োজিত আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬ সম্পন্ন

আওয়ামী দলীয় পদ না পেয়েও দলের কর্মী হিসেবে সাধারন মানুষের কাছে ভালোবাসার এক অনন্য নিদর্শন ইদ্রিস মন্ডল

  • বর্তমান সময়: বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪১৫ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী দলীয় পদ না পেয়েও দলের কর্মী হিসেবে সাধারন মানুষের কাছে ভালোবাসার এক অনন্য নিদর্শন ইদ্রিস মন্ডল

রবিউল হাসান রাজিবঃ রাজবাড়ী জেলার পাংশা পৌরসভা এলাকার ঐতিহ্যবাহী মন্ডল পরিবারের সন্তান মোঃ ইদ্রিস আলী মন্ডল পাংশাতে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে এক অনন্য নিদর্শন। দীর্ঘদিন যাবত তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামীলীগ সহ আওয়ামী লীগ নেতৃতাধীন বেশ কয়েকটি সংগঠনের পদে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।

বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকলেও কাজ করে যাচ্ছেন আওয়ামীলীগের জন্যই। এ রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য বেশ কয়েকবার তার ও তার পরিবারের উপর চালানো হয় হামলা। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় তার ব্যবসা খাতে সংযুক্ত ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি। সেই সাথে ভেঙ্গে দেওয়া হয় তার বাণিজ্যিক অফিস কার্যালয়। এছাড়াও মিথ্যা অপবাদের ও মিথ্যা মামলার জন্য তাকে হাজতবাস করতে হয়েছিল। প্রতিপক্ষের হামলার হাত থেকে তার বসতবাড়ীও রক্ষা পায়নি।

২০২১ সালের জানুয়ারীতে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে দলের স্বার্থে তিনি পাংশা পৌরসভায় অন্যদের সাথে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। এইজন্য পৌরসভা নির্বাচনের পর মেয়রের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসার মালা পড়ানো হয় তাকে।

প্রতিদিনই পাংশা সহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মাঝে বাড়িয়ে দেন সাহায্যের হাত। শুধু করোনা কালীন সময়েই নয় বিভিন্ন দুর্যোগের সময় হত-দরিদ্র মানুষকে নানা দিক দিয়ে করেন সাহায্য।

নব্বই এর দশকে তৎকালীন তরুণ নেতা ইদ্রিস মন্ডল পাংশা কলেজ ও পাংশা (বর্তমান কালুখালি ও পাংশা উপজেলা) উপজেলায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন ধারার সূচনা করেন। ব্যক্তি জীবন ও স্বার্থ ত্যাগ করে বাংলাদেশ আওয়ামী নেতৃত্বাধীন ছাত্র সংগঠনের কাজ বেছে নিয়েছিলেন। দুইয়ের দশকে একদিকে তিনি পাংশা বিশবিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেন অন্যদিকে পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগে গড়ে তোলেন একটি পূর্ণ গঠিত কমিটি। ছাত্রলীগ নেতৃত্বের আবেদন নিয়ে ছুটে বেড়ান রাজবাড়ী জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এভাবে তিনি আওয়ামী লীগ ও এর নেতৃত্বে পরিচালিত ছাত্র সংগঠনকে পৌঁছে দেন রাজবাড়ী জেলার সাধারণ ছাত্র ও মানুষের অন্দরমহলে।

সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ও সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার জন্য তাকে ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল। রাজনীতির মাঠে থাকার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় জেলে কাটিয়েছেন। রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের সূচনার মূল কারিগর হিসেবে তার পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি বলেও জানাগেছে।

এ ব্যাপারে ইদ্রিস মন্ডল বলেন, আমি কখনো দলের পদের জন্য রাজনীতির মাঠে আসিনি। আমার বেড়ে ওঠার আদর্শ বঙ্গবন্ধু। যিনি এই দলের একজন প্রধান নেতৃত্ব ছিল। যার হাত ধরে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমি সেই সংগঠনের সাথে থেকে সেই সবাধীনতার উদ্দেশ্য আমার নেতার উদ্দেশ্য সফল করতে চায়। যা আমি এই সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে করতে চায়। পার্টির ত্যাগী নেতাকর্মীদের সম্পৃক্তিই আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছে। আভিজাত্যের বড়াই দেখিয়ে অনেক বড় বড় নেতা আওয়ামী লীগ ছেড়েছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ টিকে আছে পা-ফাটা শীর্ণদেহী ভুখানাঙ্গা কর্মীদের জীবন বাজি রাখা শ্রম আর জনগণের ভালোবাসায়। দলের জন্য কর্মীদের অকাতরে জীবনদান, ত্যাগ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে শেখ মুজিব ও তার কন্যা বহুবার নিজে কেঁদেছেন, অন্যদেরও চোখের জলে ভাসিয়েছেন। অথচ আজ এই আওয়ামী লীগের পদ নিয়ে অনেকে তা অর্থ রোজগারের উপায় হিসেবে ব্যবহার করছে। যার কারণে আমাদের মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

আমাদের এই উপজেলা ও জেলা শহরে অনেক নেতাই আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলে কিন্তু তাতে আবেগ আর ভালোবাসার লেশমাত্র থাকে না। এরা গায়ে-গতরে মোটাতাজা। এদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের প্রকৃত ত্যাগী কিন্তু জীর্ণশীর্ণ কর্মীরা পেরে ওঠেন না।

তিনি আরো বলেন, এই জেলায় অনেক অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের পাল্লা ভারী করতে, ‘মাইম্যান’ তৈরি করতে আওয়ামী লীগের চরম প্রতিপক্ষের শক্তিকেও দলে ভেড়ান। এদের আছে টাকার জোর। টাকার জোরে ওপরওয়ালাদের যার যেটা প্রয়োজন তা সরবরাহ করে নিজের আখের গোছায়। এরা সংগঠনকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায়। অনৈতিক নেতাদের পেছনে লগ্নি করাকে তারা ব্যবসায় বিনিয়োগ হিসেবে দেখেন। তৃণমূলে থেকে সারাটা জীবন যারা সংগঠনের জন্য উৎসর্গ করেছেন, তারা এই অনৈতিক প্রতিযোগীতার দৌড়ে পেরে ওঠেন না। এ অবস্থায় সমগ্র দেশের মতো পাংশা ও রাজবাড়ীতেও বিরোধী দলবিহীন রাজপথে আওয়ামী লীগেরই কিছু নেতা নিজেদের মধ্যে বিরোধিতায় নেমেছেন।

এরপরেও হাল ছাড়েননি তিনি। ছাড়েনি দলের পক্ষে কাজ করা। এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের একজন কর্মী হিসেবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কে আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © ২০২০-২০২৩
Design & Development By : ফরিদপুর সমাচার

You cannot copy content of this page