রবিউল হাসান রাজিবঃ রাজবাড়ী জেলা পাংশা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডর গুধিবাড়ী এলাকার স্বর্গীয় মনোরঞ্জন কুন্ডুর পুত্র দিবালোক কুন্ডু জীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এক অনন্য নিদর্শন। দীর্ঘদিন যাবত তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগ সহ আওয়ামী লীগ নেতৃতাধীন বেশ কয়েকটি সংগঠনের পদে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন।
তিনি ১৯৯৬ সালে উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি, ২০০৩ সালে নির্বাচিত কমিটির উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা হিন্দু বোদ্ধ খ্রীষ্টান কমিটির সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী জেলা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য, ২০১৭-১৮ রোটারিয়ান পাংশা ক্লাবের সভাপতি, রেড ক্রীসেন্টের জেলার আজীবন সদস্য, ইয়াকুব আলী স্মৃতি পাঠাগারের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
এ রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য ২০১৮ সালের শেষে অপহরণ করা হয় তাকে। কয়েক বছর পূর্বে পাট্রা ইউনিয়নের গাছ চুরির মিথ্যা অপবাদের ও মিথ্যা মামলার জন্য তাকে ৭ দিন হাজতবাস করতে হয়েছিল। প্রতিপক্ষের হামলার হাত থেকে তার বসতবাড়ীও রক্ষা পায়নি। এর আগে তিনি পাংশ পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ছিলেন।
তাকে দল থেকে নমিনেশন না দেওয়ায় নির্বাচন করেছে নৌকার পক্ষে। এ সময়েও শতাধিক মোটরসাইকেল বহরে থাকাকালীন নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ২০১৫ সালে তার উপর গুলিবর্ষণ করে দুরবৃত্তরা। ২০১৭তে বোমা নিক্ষেপ করে তার ও তার কর্মীদের উপর। বোমা তার নিজের শরীরে না লেগে পাশে থাকা ব্যক্তির হালকা আঘাত লাগে।
এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। এরপরেও হাল ছাড়েননি তিনি। ছাড়েনি দলের পক্ষে কাজ করা। এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা হিসেবে। এব্যাপারে দিবালোক কুন্ডু জীবন সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের হয়ে আ।ই কাজ করছি আগামীতেও করবো। আমার উপর যতই হামলা করা হোকনা কেন কেউ কখনো আমাকে আওয়ামী লীগ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেনা।
আমি আমার নেতৃর জন্য কাজ করি আমি জনসাধারণের জন্য কাজ করি। আমাকে কেউ কখনো ষড়যন্ত্র করে এর থেকে দূরে রাখতে পারেনি আর আগামীতেও পারবে না।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply