কাজী টুটুলঃ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের হাবাসপুর অংশে পদ্মা নদীর ধুধু বালুর চরে যাত্রী ও পথচারীরা পাড় হচ্ছে ঘোড়ার গাড়ীতে চড়ে ।
এছাড়াও পদ্মা নদীর উপকুলের হাবাসপুরবাসী জানান বৈরী আবহাওয়া এবং পরিবেশগত কারনে এবারে হাবাসপুরের পদ্মা নদীর খেওয়া ঘাট থেকে পাংশার অংশ পর্যন্ত পদ্মা নদীতে প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার পথে বালির চর পড়েছে।
তবে উত্তরে পাবনা জেলার সাতবাড়ীয়া উপজেলা অংশে পদ্মা নদীর গতিপথ সচল আছে। সুত্র জানায়, পাবনা জেলার সাতবাড়ীয়া খেওয়া ঘাট থেকে সাত বাড়ীয়া পর্যন্ত যাত্রীরা নৌকায় নদী পাড় হওয়ার পর পরই তাদেরকে ঘোড়ার গাড়ীতে করে ধুধু বালির চর পাড়ি দিয়ে হাবাসপুর খেওয়াঘাট পর্যন্ত আসতে হয়।
উত্তপ্ত এই বালি পথে ভ্যান রিকশা ইজিবাইক এবং অন্য কোন পরিবহন চলাচল না করায় যাত্রীদের আসা যাওয়ার একমাত্র প্রধান পরিবহন ঘোড়ার গাড়ী। তাও আবার দুই কিলোমিটার পথ যাত্রীপ্রতি গুনতে হয় ৩০ টাকা। অনেক যাত্রীর ঘোড়ার গাড়ী ভাড়ার টাকা না থাকায় শিশু এবং কাছে থাকা ব্যাগ নিয়ে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রী সাধারনের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীরা ঘোড়ার গাড়ীতে পদ্মা নদীর ধুধু বালির চর পাড়ি দিচ্ছে সমস্ত সমস্যা কাঁধে নিয়েই। এযেন ডিজিটাল যুগে এনালগ সিস্টেম। দ্রুত পাড়াপাড়ের সু-ব্যবস্থা করার জোর দাবী জানান যাত্রীসকল।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply