৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোঃ আব্দুল জলিল বলেন, আমি আব্দুল জলিল ৫ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছি। আমাকে প্রিজাইডিং অফিসার ও ইভিএম এর মাধ্যমে কারসাজি করে আমি বিজয়ী হওয়া স্বত্ত্বেও অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক ফ্রিডম পার্টি রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতিকে বিজয়ী করেছে। কতিপয় কিছু ব্যাক্তি এই নীল নকশাটি তৈরী করেছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি পুনরায় নির্বাচন ও পুনঃগণনার দাবী জানাচ্ছি। ১৭ টি বুথ ছিল। ঐ ১৭ টি বুথের রেজাল্ট আমাকে প্রদান করা হোক। আমি ৫ নং ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছি। কাটাকাটি করা রেজাল্ট আপনাদের দেখালাম। ১৭ টি বুথের রেজাল্ট পেলে বিজয় আমার সুনিশ্চিত।
রাজবাড়ী পৌরসভার সংরক্ষিত মহিলা আসন-২ পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী প্রার্থী মুক্তি রানী কর বলেন, আমি আনারস প্রতীকে নির্বাচন করেছি। রাজবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করেছি । আমার অভিযোগ, ৩ টি ওয়ার্ডে ৬ টি কেন্দ্রে যে পুলিং এজেন্ট ছিল। তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে বলা হয়েছে আপনারা বাহিরে গিয়ে দাড়ান। তারপর যখন রেজাল্ট শিটগুলো বের হয়েছে সেগুলোও আমরা হাতে পায়নি। অতি দুঃখের সহিত বলছি, একজন প্রার্থী হয়ে রেজাল্ট শিট পাওয়ার দাবীদার। ৪ জন প্রার্থী ছিলাম আমরা। মোট ভোট এসেছে ১১৫০ টি। কিন্তু রেজাল্ট শিটে দেখা যাচ্ছে আরও ৮ টি ভোট বেশী এসেছে। এই ৮ টি ভোট বেশী হলো কিভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাই । আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাই। এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছি তারা যেন ভোট পুনঃগণনা করে।
You cannot copy content of this page
Leave a Reply